1. news@www.banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে বিশ্বনাথের ‘রাজ- রাজেশ্বরী” মন্দির রাজ একা নন, বলিউডের আড়ালে পর্ন ছবি বানাতেন এই অভিনেত্রীও ঝালকাঠিতে ঈদের দিনে ফ্রি অক্সিজেন সেবা দেয়ার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন নলছিটিতে সেচ্ছেসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ফ্রি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিক নিবন্ধন সেবা নওগাঁয় জেলা রোভারের আয়োজনে গ্রুপ সভাপতি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত। বরিশালে অসহায় মানুষের মাঝে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লাভ ফর ফ্রেন্ডসের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন সম্পন্ন রাজাপুরে দুই বছরেও পুর্নঃ নির্মান হয়নি ভাঙ্গা কালভার্ট, দুর্ভোগ এলাকাবাসীর অসুস্থ মাহিদ ভূঁইয়াকে দেখতে হাসপাতালে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতারা “ঘরের বাইরে গেলে বদ্দা মাস্ক পরিও, নাকে মুখে হনকিয়ায় হাত ন দিও” স্লোগান নিয়ে রোভারদের মাস্ক বিতরণ জমি বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৩

ঐতিহ্যবাহী বাহন ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা !

বগুড়া প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ২৫২০ বার পড়া হয়েছে
ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি
ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি

আধুনিকতার ছোয়ায় ও কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাহন ঘোড়ার গাড়ি যা টমটম গাড়ি নামে পরিচিত | বিপাকে পড়েছে ওই ঐতিহ্যবাহী বাহন(ঘোড়ার গাড়ি) ব্যবসায়ীরা ৷

এক সময় গ্রামে ও শহরে দেখা যেতো এই বাহন ৷ সৌখিনতার বাহন ছিলো ওই ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি( টমটম)৷ ছোট,বড়, কিশোর, কিশোরী , বৃদ্ধ সকলে শখ করে গাড়িতে উঠতো ৷ কিন্তু আধুনিকতার ছোয়ায় যন্ত্র চালিত বাহন থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে সৌখিনতার এই বাহন ৷

সরেজমিনে , বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ঘোড়ার গাড়ি ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক জানান , তিনি দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে ঘোড়ার গাড়ি চালান ৷ ওই উপজেলায় তার গাড়ি সহ ৮ টির মতো গাড়ি রয়েছে ৷তার বর্তমানে ৩টি ঘোড়া ও দুটি গাড়ি রয়েছে ৷ প্রতিটি ঘোড়ার জন্য প্রতিদিন গুড়া, ভূষি, খুঁদ ,লালী বাবদ ২০০-২৫০ টাকার খাবার লাগে ৷ আধুনিক যুগে যন্ত্র চালিত বাহন থাকায় তার এই বাহন ব্যবহার অনেক কমে গেছে ৷ তারপরও তার গাড়ি বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের আগে বিভিন্ন আনন্দ র‍্যালি , দলীয় প্রোগ্রামে , প্রহেলা বৈশাখে , বিবাহে , প্রশাসনের বিভিন্ন র‍্যালিতে সৌখিনতার জন্য ভাড়া নিতো ৷ তার একমাত্র আয়ের উৎস ছিলো এই গাড়ি ৷ কিন্তু করোনা কালিন সময়ে সব কিছু বন্ধ থাকায় তার গাড়ির ভাড়া না থাকায় বিপাকে পড়েছে তিনি ৷নিজেরা না খেয়ে থাকলেও অবোলা প্রানীদের প্রতিদিন ঠিকই খাবার দিতে হয় ৷ খাবার যোগাড় করতে গিয়ে দোকানের বাকী টাকা সহ মানুষের কাছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা ঋণের মধ্যে আছেন ৷ তার একমাত্র আয়ের উৎস যদি না থাকে এই ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবেন বলে জানান ৷ পরিশেষে ওই ঐতিহ্যবাহী বাহন টিকে রাখতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি ৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

UDOY ADD
©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)
Theme Customized BY LatestNews