1. news@www.banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
কালীগঞ্জ পৌর আ’লীগের বিশেষ বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বনাথে খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশন সম্পন্ন করোনাকালে ১৭ সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস মাকে করোনা ভ্যাকসিন দিতে এসে মোটর বাইক চুড়ি শাজাহানপুরে ১০ টি বিট পুলিশিং কার্যালয় পরিদর্শন কালীগঞ্জ প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন দেওয়ান এর মামীর ইন্তেকাল। বিএনপি’র নেতা খন্দকার মাহাবুবের রোগমুক্তিতে জাগপা’র দোয়া মাহফিল ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিবর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন নাজমুল হক প্রধান (সাবেক এমপি) বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সুস্থতা কামনা এনডিপি’র ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন!

কাজ-কর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের

খুলনা প্রতিবেদক ;
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৯৬ বার পড়া হয়েছে

নগরীর পাঁচ নাম্বার লঞ্চঘাট এলাকা। পাশেই গ্রীনল্যান্ড-ই ব্লকের বস্তি। এ বস্তিতে বাস করে শহরের নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা। কঠোর লকডাউনের কারণে কাজ-কর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের।

২৮ বছর বয়সী ২ সন্তানের জননী হামিদা বেগম ৬ বছর থেকে বসবাস করছেন এই বস্তিতে। স্বামী আব্দুল হাই ৫নং ঘাটে কুলির কাজ করতেন। লকডাউনের কারণে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। কোনো রকমে দিন পার হচ্ছে তাদের।

কথা হলো বস্তির আরো একজন নারী রিনা খাতুনের সাথে। টিনের ছাউনি আর বাশেঁর বেড়া দিয়ে তৈরী ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন তিনি। বলছিলেন, তার স্বামী কুরবান সরদার লেবারি করেন, লকডাউনের ফলে তার কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। যে কারণে ৫ সদস্যের এই পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি।

রিনা খাতুনের পাশের ঘরটিতে বাস করেন রং মিস্ত্রি আব্দুর রহমান। তিনি জানান, লকডাউনের পর থেকে কাজ বন্ধ তার। কাজ করে কিছু টাকা গুছিয়ে ছিলেন, এখন গোছানো সেই টাকা দিয়েই সংসার চলছে। গত বছরের লকডাউনে ত্রাণ সহায়তা পেলেও এবারের লকডাউনে এখনো পর্যন্ত তা পাননি।

একই অবস্থা ভ্যান চালক বাদশা মিয়ার। তিনি বলেন, মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন একটি ফার্ণিচারের দোকানে। মালামাল টানতে ভ্যান চালাতেন তিনি। কিন্তু লকডাউনের কারণে ফার্নিচারের দোকান বন্ধ হ’য়ে যাওয়ায় কাজ হারিয়েছেন। এখন অনেক কষ্টে সংসার চলছে তার।

কথা হয় বস্তির আরেক বাসিন্দা হাফিজা বেগমের সাথে। তিনি সিডিসি সংগঠনের এই এলাকার নারী নেত্রী। তিনি জানান, ২১নং ওয়ার্ডের আওতাধীন এই বস্তিতে প্রায় ১৫০টি পরিবারের বসবাস। এখানে বসবাসকারী সকলেই শ্রম পেশার সাথে জড়িত। লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়েপড়া প্রতিটি পরিবারের অবস্থাই খুব খারাপ।

তিনি আরো জানান, গত বছরে লকডাউনের পরে বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দিলেও, এ বছর দুই ধাপে লকডাউনে এখনো পর্যন্ত কোনো ত্রাণ সহায়তা পাননি তারা।

গ্রীনল্যান্ড নামক এই বস্তির নামটা সুন্দর হলেও এখানের বসবাসকারী মানুষ গুলোর জীবনমানে সুন্দরের ছোয়া নেই । ছোটো ছোটো সরু অলি গলির এই ঘিঞ্জি পরিবেশের বস্তিতে বাস করেন ভ্যান চালক, রিক্সা চালক, রং মিস্ত্রি, কুলি পেশার শ্রমজীবি মানুষ। লকডাউনের কারণে অনেকেই তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।

‘দিন এনে দিন খাওয়া’ এই মানুষগুলোর দিন কাটছে দীনহীন ভাবে। তারা এখন দিন গুনছে লকডাউন খোলার অপেক্ষায়, পথের পানে তাকিয়ে রয়েছে ত্রাণ সহায়তায় আশায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

UDOY ADD
©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)