1. news@www.banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

“বগুড়ার শাজাহানপুরে স্থানীয় নেতার সাজানো নাটক ভেস্তে দিল পুলিশ! “

শাজাহানপুর প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ৭৮৭৪ বার পড়া হয়েছে
নেতার সাজানো নাটক
ছবি : বাংলার ঐতিহ্য

বগুড়া শাজাহানপুরে ৫ জন কিশোর হঠাৎ থানায় হাজির হয়ে মারামারির দায় স্বীকার করে জেল হাজতে যেতে চাইলো। কিশোরদের সাথে ছিল নাটকীয় বাদী।

গত ৮ মে শনিবার বিকেল ৫.০০ টায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় মারামারির ঘটনার বাদী সেজে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার শাহনগর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মাসুদ রান

গত ৪ মে ৯.৩০ ঘটিকার দিকে সামান্য ঘটনায় কিশোর মারামারিতে লিপ্ত হয় এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ঘটনার পরের দিন থানায় অভিযোগ হয়। কিন্তু যারা বেশি আহত তাদের মধ্যে রায়হান এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অন্য ১ জন বেশি অসুস্থ থাকায় থানায় তারা বা তাদের কোন আত্মীয়-স্বজন মামলা করতে আসে নাই। পরবর্তীতে যারা গুরুতর জখমপ্রাপ্ত তারা যেন থানায় মামলা করতে না পারে সেজন্য স্থানীয় এক নেতা ফায়দা লুটতে ও তার বাহিনীর ৫ জন কিশোরকে তার অফিসে ডেকে পরিকল্পনা করে সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত ১ জনের ভাইকে ( মাসুদ রানা) ডেকে বাদী করে ঐ ৫ জন কিশোরকে একই রঙের পাঁচটি হাত ব্যাগ, তোয়ালে, প্লেট, গ্লাস ও অন্যান্য সামগ্রী কিনে দিয়ে থানায় পাঠিয়ে দেন এবং সেই সাজানো বাদী ও কিশোরেরা গিয়ে অফিসার ইনচার্জ কে বলে যে তারা বাদী, বিবাদী এসেছে জেলে যেতে। ঘটনাটি নজিরবিহীন এবং সন্দেহের উদ্রেক সৃষ্টি করে। তাছাড়া মারামারির বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকেই অফিসার ইনচার্জ অবহিত থাকায় তিনি এই নাটক খুব সহজেই বুঝতে পারেন এবং ঐ নাটকীয় বাদী( মাসুদ রানা) সহ কিশোরদের বলে দেন যে যারা বেশি আহত (রায়হান) তাদের মধ্যে থেকে যে কেউ বাদী হলে মামলা রুজু হবে। কিন্তু এতে আপত্তি জানান কথিত বাদী ও কিশোরেরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আর্থিক ফায়দা লুটে নিয়ে সামান্য জখমপ্রাপ্ত কারো আত্নীয় স্বজনকে বাদী করে মামলা করানো যাতে করে ঐ মামলা আবার সাজানো বাদীকে দিয়ে তুলে নেওয়া যায় অথবা আপোষ মিমাংসা করা যায়। বিষয়টি অফিসার ইনচার্জ বুঝতে পেরে তাদেরকে বলে দেন যে যারা গুরুতর আহত তাদের মধ্যে থেকে যে কেউ বাদী হলে মামলা রুজু হবে এবং তোমাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হবে। তখন কিশোরেরা এবং সাজানো বাদী এতে আপত্তি জানায় এবং ফিরে যায়।থানায় হাজির হওয়া কিশোরদের ৫ সদস্যর মধ্যে ছিল শাহনগর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সুমন(১৬), বিহিগ্রামের গোলাম রব্বানীর ছেলে রকি(১৮), চুপিনগর গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে ছাব্বির(১৬), শাহনগর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ছাব্বির(১৮), চক-চোপিনগর গ্রামের ফারুকের ছেলে রাব্বি(১৬)।

আহতদের মধ্যে রয়েছে আজিজার রহমানের ছেলে সজিব(২০), ওহাবের ছেলে মুজাহিদ(১৮), এবং তোতা মিয়ার ছেলে রায়হান(১৮)। এদের মধ্যে রায়হানের অবস্থা খারাপ। এই ঘটনায় যদি রায়হান বা তার পরিবার বা গুরুতর আহত ছাড়া অন্য কেউ বাদী হয় তবে তাতে ন্যায় বিচার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আহত রায়হান এখনো বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আঃ রাজ্জাক বলেন, ৫ কিশোর থানায় হাজির হওয়া রহস্যজনক। অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন আছে।

শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ৫ কিশোর ও নাটকীয় বাদী থানায় এসেছিল। ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রকৃত গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা তার আত্মীয় -স্বজন বাদী হলে মামলা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

UDOY ADD
©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)