1. news@www.banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
কালীগঞ্জ পৌর আ’লীগের বিশেষ বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বনাথে খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশন সম্পন্ন করোনাকালে ১৭ সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস মাকে করোনা ভ্যাকসিন দিতে এসে মোটর বাইক চুড়ি শাজাহানপুরে ১০ টি বিট পুলিশিং কার্যালয় পরিদর্শন কালীগঞ্জ প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন দেওয়ান এর মামীর ইন্তেকাল। বিএনপি’র নেতা খন্দকার মাহাবুবের রোগমুক্তিতে জাগপা’র দোয়া মাহফিল ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিবর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন নাজমুল হক প্রধান (সাবেক এমপি) বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সুস্থতা কামনা এনডিপি’র ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন!

বরিশাল ঊজিরপুরের গুঠিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ এর শিক্ষামন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি।

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৫৬ বার পড়া হয়েছে
তাইজুল ইসলাম । দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য
ফাইল ছবি

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। সেই মেরুদন্ড তৈরি করার পিছনের কারিগরের অক্লান্ত পরিশ্রমেই তৈরি হয় একটা শিক্ষিত জাতি, একটা শিক্ষিত সমাজ। আর এই কারিগরগনরা সার্ভিসের শুরু থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে একটি দেশের জন্য তৈরি করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি। যখন এই মানুষগুলোর সার্ভিস জীবন শেষ হয়ে যায় তখন তারা পদে এসে দারায় । কারণ তাদেরে একমাত্র আয়ই ছিল তাদের সার্ভিস জীবনের বেদন ভাতা। সার্ভিজ শেষ হলে আবার নতুন করে শুরু করতে নতুন সার্ভিজ জীবন, আবার সেই ভাঙ্গা ছাতা, টিউশনি করানো ইত্যাদি। এই বিষয় গুলো উল্লেখ করে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিকট খোলা চিঠি লিখেছেন বরিশাল জেলার ঊজিরপুর গুঠিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজ এর অধ্যক্ষ এস এম তাইজুল ইসলাম। নিম্নে তার লেখা চিঠিটি সম্পর্ন রূপে তুলে ধরা হলোঃ

মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীঃ
মুজিব শতবর্ষে আপনার প্রতি রইল শতকোটি সালাম। বিশ্বজুরে করোনায় আপনিও আক্রান্ত ছিলেন। আল্লাহর রহমতে আমাদের সকলের দোয়ায় আপনি সুস্থ হয়েছেন, এজন্য আল্লাহর দরবারে লাখোকোটি শুকরিয়া।

মাননীয় মন্ত্রীঃ
একটি বিষয় নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হয়েছি।তা হলো-পি,আর,এল। একজন সরকারি কর্মচারী জীবনের শেষ মাস পি,আর,এল,হিসেবে কাটায়। তাতে সে মানষিক ভাবে আস্তে আস্তে চাকরি জীবনের শেষ যবনিকা টানার চেষ্টা করেন। মানষিক ভাবে প্রস্তত হয়, আর হয়তো অফিসে যেতে হবে না। স্ত্রী কে বলবে না আমার ছাতাটা কোথায়? এরপর সে কি করবে তাও ভাবতে সময় পায়।

মাননীয় মন্ত্রীঃ
আমরা যারা এম,পি ও ধারী শিক্ষক, আমাদেরতো যে দিন চাকরি জীবন শেষ হয়,সে দিন পর্যন্ত স্কুল /কলেজে যেতে হয়। পরের দিন চাকরি শেষ, খালি হাতে ঘরে ফিরে আসি। স্ত্রী ও দেখে হয়তো অফিসে আর যাওয়া হবে না,এ জন্য তার মনটাও খারাপ হয়ে যায়। কারণ সে ভাবে মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত অবসরের টাকা পাবে কি না সন্দেহ। আর ঐ শিক্ষক ও যানেনা আদৌ কত বছর পর টাকা পাবে,স্ত্রী কে বলবে খোকার মা এই নাও আমার পেনসনের টাকা দিয়ে তোমার জন্য একটা কাপড় এনেছি। কিন্তু অবসরের পর সে জীবন সম্পর্কে আর ভাবতেও পারে না। সে কারনে একজন শিক্ষক যদি চাকরি জীবনের শেষ বছর টা পি,আর,এল,হিসেবে কাটাতে পারে, তাহলে মানষিক ভাবে প্রস্ততি নেওয়ার চেষ্টা করে। আর বছর শেষ হলে মাথা থেকে চাকরি নামের বিষয়টি চলে যায়।
এবং সাথে সাথে অর্থাৎ ৬-১২ মাসের মধ্যে যদি পেনসন সুবিধাটাও পায়,তাহলে সন্তানের উপর নির্ভর না করে ও বেশ কিছু দিন স্বীয় চিন্তায় বেঁচে থাকতে পারে। বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাই।

আপনার বিশ্বস্ত
এস এম তাইজুল ইসলাম
অধ্যক্ষ
গুঠিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজ
উজিরপুর, বরিশাল।

ফেসবুক থেকে সংগৃহিত

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

UDOY ADD
©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)