1. news@www.banglaroitizzo.com : BanglarOitizzo :
  2. imrankhanbsl01@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  3. banglaroitizzo.news@gmail.com : newseditor :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত এসএমই ফাউন্ডেশনে চাকরি সীমিত পরিসরে বিআরটিএ’র সেবা চালু হচ্ছে আজ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কুখ্যাত মাদক সম্রাট স্মার্ট মৌসুমী গ্রেফতার। বেঁচে থাকার স্বপ্নপূরনে ফ্রি অক্সিজেন ও ৫টাকায় হাজার টাকার খাদ্য সহায়তায় ”স্বপ্নপূরণ” বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে বিশ্বনাথের ‘রাজ- রাজেশ্বরী” মন্দির রাজ একা নন, বলিউডের আড়ালে পর্ন ছবি বানাতেন এই অভিনেত্রীও ঝালকাঠিতে ঈদের দিনে ফ্রি অক্সিজেন সেবা দেয়ার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন নলছিটিতে সেচ্ছেসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ফ্রি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিক নিবন্ধন সেবা নওগাঁয় জেলা রোভারের আয়োজনে গ্রুপ সভাপতি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত।

রেজাউলকে পিটিয়ে হত্যার করেছে এসআই মহিউদ্দিন

খান ইমরান
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল শের-ই বংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেজাউল করিম (৩০) নামে এক হাজতীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এসআই মহিউদ্দিন মাহির নির্যাতনে মৃত্যুর জোড়ালো অভিযোগ করা হয়েছে। এসআই মহিউদ্দিনের ফাঁসির দাবিতে রেজাউলের লাশ নিয়ে রূপাতলী সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। এ ঘটনার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।

কেন্দ্রিয় কারা হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার রাতে রেজাউল করিম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওইদিন রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। সরকারি বিএম কলেজ থেকে বাংলাং অনার্স-মাস্টার্স এবং এলএলবি পাশ রেজাউল দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়। তার স্ত্রী রয়েছে। নিহতের পিতা ইউসুফ মুন্সি জানান, রেজাউলকে হামিদ খান সড়ক থেকে ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে এসআই মহিউদ্দিন মাহি আটক করেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয়রা ও নিহতের স্বজনদের সামনেই রেজাউলকে ধরে দুইজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম জানতে চায়। রেজাউল কিছুই জানেন না বলে জানালে এসআই মহিউদ্দিন নিজের গাড়ির কাছে যায় এবং সেখান থেকে ফিরে রেজাউলের পকেটে হাত দিয়ে একটি নেশাজাতীয় ইনজেকশন পায় বলে জানায় এবং তাকে নিয়ে যায়। বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে আসলে আমার ছেলেকে ধরার কারন জানতে চাই। মহিউদ্দিন জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে রেজাউলকে নিয়ে যায়। তখন রেজাউল দিব্যি সুস্থ ছিলো। পরে জানতে পারি রেজাউলকে গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার রাত ৯টার দিকে আমাকে পুলিশ ফোন করে জানায় রেজাউল বাথরুমে পরে গিয়ে ব্লিডিং হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে রেজাউলের সাথে আমাদের দেখা করতে দেয়া হয়নি। মেডিকেলে এসে দেখি রেজাউলের সারা শরীরে জখমের চিহ্ন। রক্ত জমাট হয়েছে। বিশেষ করে দুই পায়ে স্পষ্ট জমাট রক্তের চিহ্ন রয়েছে। এতে নিঃস্বন্দেহে প্রমান করে যে অমানবিক নির্যাতনেই আমার ছেলে রেজাউলের মৃত্যু হয়েছে। রেজাউলের ভাই আজিজুল করিম বলেন, কোনো অপরাধ ছাড়াই রেজাউলকে ধরে নেয়া হয়েছে। তাকে নিয়ে আরো দুই ব্যক্তিকে ফাঁসানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ায় তার উপর নির্যাতন করা হয়। এ ব্যাপারে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক বলেন, ৩০ ডিসেম্বর রেজাউলকে রিসিভ করি।

সেখানে ফরওয়ার্ডিং কাগজে অসুস্থতার কথা উল্লেখ করা হয়। তাছাড়া তার শরীরে ক্ষত ছিলো। পায়ের উড়ু থেকে রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেন, এ ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ইনচার্জ হরে কৃষ্ণ সিকদার জানান, রক্তক্ষরন জনিত কারনে ১ জানুয়ারী রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে পুরুষ সার্জারী-১ ইউনিটে রেজাউলকে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। রবিবার সন্ধ্যায় রেজাউলের মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। তারা নগরীর রূপাতলী সড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় আগুন জ্বালিয়ে ও আসবাবপত্র ফেলে হাজার হাজার মানুষ অবরোধে অংশ নেয়।

তাদের এক দাবি এসআই মহিউদ্দিনকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি। অবরোধের ফলে দুই প্রান্তে যানবাহননের দীর্ঘ জট লেগে যায়। এতে করে দুর্ভোগে পড়েন যানবাহন সংশ্লিষ্টরা। এক পর্যায়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে দোষির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দেয়া হলে অবরোধ প্রত্যাহার হয় সন্ধ্যা ৭টায়। অবরোধ চলাকালে রূপাতলী এলাকায় এসআই মহিউদ্দিনের বহুতল ভবনের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীরা। কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি নূরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান ওসি। তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন উপ-পুলিশ কমিশনার মোক্তার হোসেন। অন্য দু’সদস্য হলেন এডিসি (ক্রাইম) আকরামুল হোসেন এবং এসি ডিবি নরেশ চন্দ্র কর্মকার। অভিযুক্ত মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন মাহি জানান, ২৯ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় রেজাউলকে গ্রেফতার করা হয় ১৩৬ গ্রাম গাঁজা ও ৪ অ্যাম্পুল নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ। ওইদিন রাত পৌনে ১২টায় তাকে কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। রাতেই মামলা দায়ের করা হয় এবং পরের দিন আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। ওই যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা। এছাড়া রেজাউলের বিরুদ্ধে আগেও একটি মাদক মামলা ছিলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

নিউজ ক্যাটাগরি

UDOY ADD
©দৈনিক বাংলার ঐতিহ্য (2019-2020)
Theme Customized BY LatestNews